Logo
Notice :
  • Welcome To Our Website...
News Headline :
১৫০ টাকায় পৌঁছেছে সয়াবিন তেলের লিটার, বন্ধ টিসিবির বিক্রয় কেন্দ্র বরিশালে বিশ্ব মাসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে স্যানিটারী প্যাড বিতরন করেছে লাভ ফর ফ্রেন্ডস প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ তরুণ সাংবাদিক আল আমিন গাজীর শুভ জন্মদিন আজ প্রথম আলো’র জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবীতে উজিরপুর প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন উজিরপুর এতিম ছাত্রদের নিয়ে বরিশাল বিভাগীয় অনলাইন সংবাদ পত্র সম্পাদক-প্রকাশক পরিষদের ইফতার মাহফিল বরিশালের নিউ আইকন ফার্নিচারে ঈদ উপলক্ষে চলছে বিশেষ ছাড়। বরিশাল অনলাইন প্রেসক্লাব’র অনুমোদন দিলো বাংলাদেশ অনলাইন প্রেসক্লাব বরিশাল বিভাগীয় অনলাইন প্রকাশক ও সম্পাদক পরিষদ কমিটি গঠন মেহেন্দিগঞ্জে ‍এমপি পংকজ নাথ অনুসারীদের হামলায় নৌকার কর্মী নিহত, রক্তাক্ত-২০
সেকান্দর আলী সেকুর প্রকৃত রূপ উন্মোচন

সেকান্দর আলী সেকুর প্রকৃত রূপ উন্মোচন

 

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নিজের বাড়িটাই রাজপ্রাসাদ। সাধারণ বেশভূষা। পরনে অতি সাধারণ পাঞ্জাবি। উচ্চতায় ছয়ফুট চার ইঞ্চি। সাধনের আসনটি আকৃতিতে ছোট লাগলেও যখন পেছনে লোকজন থাকে তখন তার পা দুটো বাবা লোকনাথের মতই হাটুর উপর থাকে। দুই কনুই হাটুর সাথে লাগিয়ে আড়াআড়িভাবে হাত দুটো দিয়ে সুসজ্জিত গাজার বাশিতে আগুন দিয়ে নিজের সর্বোচ্চ ধমে সেবন করে থাকেন তিনি। যে ভদ্রবেশী এক ভয়ংকর অপরাধী।

তিনি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের দুলালিয়া (পাকিস্তান পাড়া)’র সেকান্দর আলী সেকু। টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার গাজা সেবনকারী এবং বিক্রেতার সুপরিচিত মুখ। তার অতিসাধারণ চলাফেরা, বেশভূষা আর চেহারায় বিস্মিত। ধৃত সেকান্দর আর ভদ্রবেশী সেকান্দর’র পার্থক্যটা নির্ণয় করে তার পাপকর্ম উন্মোচিত করা অতটা সহজ নয়। বাবা লোকনাথের মত লম্বা দাড়ি আর সাদা পাঞ্জাবির আড়াল থেকে রহস্য উদঘাটন অনেকটাই কঠিন। তার সাদা পোষাকে সহজ সরল চলাফেরার মুখোশের বিমূর্ততা থেকে আসল রূপক বের করে আনা অতটা সহজ না হলেও সাংবাদিকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে নিজেকে বাঁচানোর কোন রক্ষাকবজই কাজে এলো না!শেষ বারের মতোও সাংবাদিকদের অত্যন্ত বিনয়কন্ঠে সে বলছিলো,আমি এখন এসব করিনা, আমাকে ভালো হওয়ার সুযোগ দিন।’ নিজেকে প্রদর্শনীমূলক ভঙ্গীমায় উপস্থাপন করায় সে ধুর্ত।সেকান্দর আলী (সেকু) আসলে তাকে দেখলে মনে হবে সে সন্ন্যাসী বা সাধু। গাজার টানে প্রাণোচ্ছল হাসিযুক্ত মানুষ নয়, বরং তার প্রকৃতি মানবিকতায় গড়া।চেহারায় সর্বদা ক্লান্তির ছাপ। শ্বেতশুভ্র চুলগুলো কেটে ন্যাড়া হবার ইচ্ছে পূরণ করেছেন বেশ কয়েকবার। ঠোঁট তালাবদ্ধ দরজার মতো রুদ্ধ। শীতের বাতাসের মতো শীতল হয়ে থাকে চোখ। সেকুর গাজা বিক্রির ফিরিস্তির ভিডিও গুলো কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তার জীবনে। এ ভিডিও দেখে হতবিহ্বল ও বিস্মিত হবেন অনেকে। অন্তর্দৃষ্টির অলৌকিক তত্ত্ব দিয়ে মনের মাধুরি মিশিয়ে সামাজিক গণমাধ্যমে ঝড় তুলবে হয়তো এ নিউজ।

আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো, সেকান্দর আলী(সেকু) দীর্ঘদিন যাবৎ গাজা সেবন এবং বিক্রি করে আসলেও বর্তমানে হয়ে উঠেছেন গাজার মহাজন। বর্তমানে ২৫০গ্রামের কম গাজা বিক্রি করেননা। যার বাজার মুল্য কম করে হলেও ১৫হাজার টাকা। তার গাজা সেবন এবং বিক্রিতে নষ্ট হচ্ছে স্কুল কলেজ পড়ুয়া অসংখ্য ছাত্র এবং যুব সমাজ। গাজার ভয়াল গ্রাসে নিমজ্জিত হচ্ছে মেধাবী শিক্ষার্থী। করোনা ক্রান্তিলগ্নে সেকুর ব্যবসা রমরমা।তিনি প্রতিদিন কমকরে হলেও ১থেকে ২কেজি গাজা বিক্রি করেন।বাবার কাছে এবং সন্তানের কাছে গাজা বিক্রি করেন বলেও জানা গিয়েছে।

এ বিষয়ে লক্ষিন্দর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য চান মাহমুদ জানান, “আমি বহু আগে থেকে জানি সেকান্দর আলী গাজা সেবন করেন এবং বিক্রি করেন। গাজা বিক্রির সময় বেশ কয়েকবার প্রশাসনের হাতে গ্রেফতার হোন, জেলও খেটেছেন কয়েকবার। হাজত খাটলেও তার সেবন এবং বিক্রি বন্ধ করেননি সেকান্দর। জেল হাজত থেকে বেড়িয়েই আবার ব্যবসা শুরু করেন।

স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, সেকান্দর বহু আগে থেকেই গাজা বিক্রি করেন। একাধিকবার প্রশাসনের হাতে গ্রেফতার হোন। কয়েকটি মামলাও আছে তার নামে। বর্তমানে খুচরা বিক্রি কমিয়ে পাইকারি বিক্রি শুরু করেছেন। যার কারনে স্থানীয় ছলিং বাজারের দোকান বাদ দিয়ে দুলালিয়া (পাকিস্তান পাড়া)’র নিজ মুদি দোকানের আড়ালে পাইকারি গাজার ব্যবসা করে আসছেন।আমরা আমাদের সন্তান এবং যুব সমাজকে গাজার ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকতাদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *