Logo
Notice :
  • Welcome To Our Website...
News Headline :
গায়েবি মামলায় হয়রানির শিকার মেহেন্দিগঞ্জের এক পরিবার মেহেন্দিগঞ্জে কারামুক্ত আ’লীগ নেতা জামাল মোল্লাকে এলাকায় গণসংবর্ধনা কাশীপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হওয়ার প্রত্যাশা লিটন মোল্লার ১৫০ টাকায় পৌঁছেছে সয়াবিন তেলের লিটার, বন্ধ টিসিবির বিক্রয় কেন্দ্র বরিশালে বিশ্ব মাসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে স্যানিটারী প্যাড বিতরন করেছে লাভ ফর ফ্রেন্ডস প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ তরুণ সাংবাদিক আল আমিন গাজীর শুভ জন্মদিন আজ প্রথম আলো’র জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবীতে উজিরপুর প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন উজিরপুর এতিম ছাত্রদের নিয়ে বরিশাল বিভাগীয় অনলাইন সংবাদ পত্র সম্পাদক-প্রকাশক পরিষদের ইফতার মাহফিল বরিশালের নিউ আইকন ফার্নিচারে ঈদ উপলক্ষে চলছে বিশেষ ছাড়।
বঙ্গবন্ধুর ছবি দোকানে টানানোর অপরাধে চেয়ারম্যান কর্তৃক দোকান ভাঙচুর, বঙ্গবন্ধুর ছবি ছিন্ন ভিন্ন-

বঙ্গবন্ধুর ছবি দোকানে টানানোর অপরাধে চেয়ারম্যান কর্তৃক দোকান ভাঙচুর, বঙ্গবন্ধুর ছবি ছিন্ন ভিন্ন-

বঙ্গবন্ধুকে হৃদয়ে ধারণ করে, বাঙ্গালী জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি দোকানের সামনে টানিয়ে রাখা এবং মমতাময়ী,দেশনেত্রী শেখ হাসিনার ছবি দোকানের ভিতরে স্বযত্নে রাখার অপরাধে স্থানীয় চেয়ারম্যানের বাহিনীর হামলার স্বীকার টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার নবগঠিত লক্ষিন্দর ইউনিয়নের আব্দুল খালেক।

আব্দুল খালেক পেশায় দিন মজুর, পাশাপাশি বসত ঘরের একপাশে মুদি দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করেন। আব্দুল খালেক গরীব হলেও বঙ্গবন্ধুর নীতি আদর্শকে সম্মান করে সব সময় বঙ্গবন্ধুর ছবি, জননেত্রী শেখ হাসিনার ছবি, তার বসত ঘরে, তার দোকান ঘরে এমনকি দোকানের সামনে স্বগৌরবে, স্বযত্নে টানিয়ে রাখেন। রাস্তার পাশে তার দোকান হওয়ায় বঙ্গবন্ধুর ছবি উজ্জল চিত্রেই পথচারী সবার দৃষ্টিতে পরতো। আর সেটাই কাল হয়ে দাঁড়ালো আব্দুল খালেকের জীবনে।

গত ৩০মে শনিবার আনুমানিক বেলা ৫ঘটিকার সময়, স্থানীয় লক্ষিন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব একাব্বর আলী তার স্ত্রী, তিন কন্যা ও দু’ছেলেসহ তার পালিত সন্ত্রাসী বাহিনীর দেশীয় রাম দা, ছুড়ি, চাবাতি, রডসহ দাড়ালো অস্রহাতে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি টানানোর অপরাধে আব্দুল খালেকের দোকানের সামনে টানানো বঙ্গবন্ধু ছবি কুপিয়ে কাটতে থাকলে খালেক একাব্বর চেয়ারম্যানের পায়ে ধরে বলেন আপনার লোক জনকে আমার নেতা, জাতির পিতার ছবিতে আগাত করতে নিষেধ করেন, নেতার ছবি আমি টানিয়েছি, প্রয়োজনে আমাকে মেরে ফেলুন, তবুও জাতির পিতার ছবিতে আগাত কইরেন না, তাৎক্ষণিক চেয়ারম্যান বাহিনীর লোকজন খালেকের দোকানের ভিতরে প্রবেশ করে দোকানের জিনিসপত্র ভাংচুর করতে থাকে এবং জননেত্রীর ছবিতে থু থু দিতে থাকে।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, খালেক একজন বঙ্গবন্ধু প্রেমিক এবং তৃণমূল আওয়ামিলীগ কর্মী।জন্মগতভাবেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের জন্য বিনাপারিশ্রমিকে মিটিং মিছিলে যোগদান করেন এবং যেখানেই বঙ্গবন্ধুর ছবি দেখেন সেখানেই তার ছবিকে সেলুট করেন, সালাম জানান। এজন্য এলাকায় তাকে অনেকে খালেক পাগলা বলেও ডাকেন। তার স্বপ্ন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় ডিজিটাল বাংলার রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন দেখা। তার কখনো এমপি,মন্ত্রী বা দলীয় নেতা হওয়ার স্বাদ নেই।

আব্দুল খালেক চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বলেন, আমি আমার নেতাজীকে নিজের জীবনের থেকে বেশি ভালোবাসি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আমার প্রতিটা রক্ত কনায়। আজকে আমি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে জন্মশতবার্ষিকীর ছবি, মমতাময়ী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি আমার ঘরে এবং দোকানের সামনে শক্ত পিলারে টানিয়ে রেখেছি, আর এজন্য এলাকার চেয়ারম্যান একাব্বর আলী তার বউ, পোলাপান এবং তার বাহিনীসহ পাশের একটি জমি জবরদখল করে আসার পথে আমার নেতাজীর ছবি এবং আমার দোকান ভাঙচুর করলো৷ যে ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুর ছবি দেখতে পারেনা, সে আবার আওয়ামী লীগের লোক হয় কেমনে? সে আবার নিজেকে আওয়ামীলীগ দাবী করেন।

তিনি আরো বলেন, আমি প্রাণ প্রিয় মমতাময়ী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবী জানাই, আমি গরীব অসহায় মানুষ, আমার দীন মজুরির টাকায় আমার নেতাজীর ছবি বাঁধাই করে টানিয়েছি, তার ছবি নষ্ট করার সঠিক বিচার চাই। আমার দোকানের জিনিসপত্র বাবদ যে ৫০থেকে ৬০হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে তার ক্ষতি পূরণ সমন্ধে কোন দাবী নাই।আমার দাবী একটাই জাতির জনকের ছবি কুপিয়ে নষ্ট করার বিচার চাই এবং আমার কাছে ঘটনার ভিডিও চিত্র আছে যার কারনে আমাকে প্রাণ নাসের হুমকি দিচ্ছে। আমি বঙ্গবন্ধুর ছবি কুপিয়ে ছিন্ন ভিন্ন করা আওয়ামী নেতার বিচার চাই।

এলাকাবাসী জানান, গত ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল করে জুর পূর্বক ভোট নিয়ে অবৈধভাবে চেয়ারম্যান হয়েছেন একাব্বর আলী। ভোট চুরি এবং ভূমি দখল, নারী কেলেঙ্কারি, সরকারী চাল আত্মসাৎ বিষয়ক ১৫থেকে ২০টি মামলা চলমান একাব্বর আলী এবং তার ছেলেদের বিরুদ্ধে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *