Logo
Notice :
  • Welcome To Our Website...
News Headline :
গায়েবি মামলায় হয়রানির শিকার মেহেন্দিগঞ্জের এক পরিবার মেহেন্দিগঞ্জে কারামুক্ত আ’লীগ নেতা জামাল মোল্লাকে এলাকায় গণসংবর্ধনা কাশীপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হওয়ার প্রত্যাশা লিটন মোল্লার ১৫০ টাকায় পৌঁছেছে সয়াবিন তেলের লিটার, বন্ধ টিসিবির বিক্রয় কেন্দ্র বরিশালে বিশ্ব মাসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে স্যানিটারী প্যাড বিতরন করেছে লাভ ফর ফ্রেন্ডস প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ তরুণ সাংবাদিক আল আমিন গাজীর শুভ জন্মদিন আজ প্রথম আলো’র জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবীতে উজিরপুর প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন উজিরপুর এতিম ছাত্রদের নিয়ে বরিশাল বিভাগীয় অনলাইন সংবাদ পত্র সম্পাদক-প্রকাশক পরিষদের ইফতার মাহফিল বরিশালের নিউ আইকন ফার্নিচারে ঈদ উপলক্ষে চলছে বিশেষ ছাড়।
বরিশালে প্রশাসনের নাকের ডগায় অনুমোদনহীন মেডিকেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান!

বরিশালে প্রশাসনের নাকের ডগায় অনুমোদনহীন মেডিকেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান!

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক // বরিশালের বিভিন্ন অলিগলিতে ক্রমেই বেড়ে চলেছে অনুমোদনহীন নাম সর্বস্ব প্রতিষ্ঠান। সঠিক তদারকি ব্যবস্থা ও সংশ্লিস্ট দপ্তরের উদাসীনতায় ফায়দা লুটছে অসাধু চক্র। সংশ্লিস্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমতি পেতে স্ব স্ব দপ্তরের কোন লিখিত তথ্যাদিরও তোয়াক্কা করছেনা । নিজ স্বার্থ হাসিলে সুচতুর কতিপয় অসাধু চক্র নানান ফন্দি এটে জনসাধারনকে বিভ্রান্ত করে ফায়দা লুটছে। এতে করে যেমন জনসাধারন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তেমনি সরকার অনুমোদনহীন এ সকল প্রতিষ্ঠানের চাটুকারিতায় হারাচ্ছে রাজস্ব। অগোচরে পরিচালনা করা এ সকল প্রতিষ্ঠানের লুটপাট কার্যক্রমে সরকার বছরে রাজস্ব হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। সরকারকে রাজস্ব দিতে হবে বলে বিভিন্ন ফন্দিসহ স্থানীয় প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় চক্রটি থেকে যায় ধরাছোয়ার বাইরেই। এতে করে একদিকে যেমন স্বার্থান্বেসী মহলের হরহামেশাই লাভবান হচ্ছে,তেমনি রাজস্ব খাত বেহাল দশায় পরিনত হচ্ছে।এমন অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে দেশ জুড়ে। তবে এর ব্যতিক্রম বরিশালেও লক্ষ্ করা যায়নি। যথাযথ মনিটরিং ব্যবস্থার অভাবে নগরীর অলি-গলি কিংবা জেলা উপজেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে ব্যঙ্গের ছাতার মত গড়ে উঠছে এ সকল প্রতিষ্ঠান। কেউ প্রতিষ্ঠানের নাম ছোট করে ভাড়া বাসায়,কিংবা নিজস্ব বাড়িতেই স্টিকার প্রদর্শন করে দেদারছে চালিয়ে যাচ্ছে কার্যক্রম। আবার কেউ স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় মাসোয়ারা ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোন অনুমতি বা অনুমোদন না নিয়েই প্রকাশ্যেই প্রচার-প্রচারনা চালিয়ে ব্যবসায়িক প্রতারনামূলক প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন প্রলোভনে শিক্ষার্থী-জনসাধারন থেকে লাখ লাখ টাকা আদায় করছে। শিক্ষার্থীরাও প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে হারাচ্ছে সর্বস্ব। যখন বুজতে পারে প্রতারনার শিকার তখন দ্বারস্থ হয় বিভিন্ন মাধ্যমের।এদিকে বিএম কলেজের উল্টো দিকে জান্নাত ভিলায় নাম সর্বস্ব একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে সিভিল সার্জন সুত্র থেকে এমন কোন প্রতিষ্ঠান কিংবা কোর্সের অনুমোদন দেয়া হয়নি বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অগোচরে হঠাত গজিয়ে উঠা এ সকল প্রতিষ্ঠান স্বার্থ হাসিলে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে চলেছে। সরকারী বিধি নিষেধ এর তোয়াক্কাই করছেনা এ সকল প্রতিষ্ঠানগুলো । এছাড়াও বিগত কয়েকদিন যাবত,বিভিন্ন ফেসবুক আইডি খুলে কখনও ওয়ান একাডেমী আবার কখনও ফাস্ট মেডিকেল কেয়ার নামক আইডি খুলে চালিয়ে যাচছে ভুয়া কার্যক্রম। একটি গোপন সুত্রের তথ্য মতে জানা যায়, বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত “১৬৮১৭৯” রেজি নং দিয়ে নাম স্বর্বস্ব এই প্রতিষ্ঠানটি যে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে তার কোন সঠিক কাগজপত্র নেই।এমনকি উক্ত মেডিকেল প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মোঃ শামীম নিজেকে একজন ইঞ্জিনিয়ার দাবী করে ফায়দা লুটে চলেছে।অনুসন্ধানে জানা যায়, স্বাস্থ মন্ত্রনালয়ের রাস্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ , নার্সিং কাউন্সিল ,ফার্মেসি কাউন্সিল বা শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এর কোথাও থেকে তাদের অনুমোদনের অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি। এছাড়া বরিশালের বিভিন্ন অলিগলিতে তারা লিফলেট,পোস্টারিং করে এরা নিজেদের স্বার্থউদ্ধারে প্রতিনিয়ত-ই চালিয়ে যাচ্ছে প্রচার-প্রচারনা। বিভিন্ন ভাবে নানান কৌশল অবলম্ভন করে শিক্ষার্থী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রদর্শন করে ভর্তি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের প্রচার করা পোস্টারে দেখা যায়, ‘’দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়নে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান” স্লোগানে,পল্লী চিকিৎসায় ব্যাসিক হেলথ প্রোগ্রাম কেয়ারগিভার,প্যাথলজি, ফিজিওথেরাপি, ৬ মাসের ঝশরষষ উবাবষড়ঢ়সবহঃ কোর্স,অভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা প্রশিক্ষন প্রদান, জ্বর মাপা, রক্তচাপ মাপা,কাটা জায়গা সেলাই, ড্রেসিং, বেন্ডেস,স্যালাইন পুশিং, প্যাথলজি পরিক্ষা নিরিক্ষা ইনজেকশন পুশিং,বুক পরীক্ষা, রোগের প্যাথলজিকাল, আল্ট্রাসোনগ্রাম,ইসিজি রিপোর্ট বোঝা,মেডিকেল যন্ত্রপাতির নাম ও ব্যবহার ইত্যাদি হাতে কলমে শিখানো হয় এমন প্রচারে শতশত শিক্ষার্থীদের সাথে করছে প্রতারনা। কোম্পানী, এনজিও, প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকে স্বাস্হ কর্মী হিসেবে নিয়োগ পেতে সংশ্লিস্ট দপ্তরের সুত্রানুযায়ী অনুমোদনহীন কোন প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা কিংবা প্রচার-প্রচারনায় রয়েছে কড়া নিষেধাজ্ঞা। তবুও প্রতিষ্ঠানটি একদিকে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই হরদমে পরিচালনা করছে কার্যক্রম অন্যদিকে অনুমোদন না থাকায় ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীরা পড়েছেন বিপাকে। অনুমোদনহীন এ প্রতিষ্ঠান থেকে সার্টিফিকেট কোন উপকারেই আসবেনা বলে দাবী করেছেন সচেতন মহল। তারা দাবি করেন , অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কোর্স করতে পারেন।পরবর্তীতে তা মুল্যায়িত্ব হয় কিন্ত নাম সর্বস্ব এ সকল প্রতিষ্ঠান কেবল-ই মাত্র অর্থ আত্বসাতে কোটিপতি বনে যাওয়ার নিমিত্ত মাত্র। অবিলম্বে এ সকল প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সংশ্লিস্ট দপ্তর থেকে কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করা হলে শিক্ষার্থীরা চরম ক্ষতিসাধনের সম্মুখে পতিত হবে বলে জানান । এদিকে অনুমোদনদীন মেডিকেল কেয়ার ফাস্ট এইড ট্রেনিং সেন্টার ও একই নামে পরিচালিত ওয়ান একাডেমী প্রতিষ্ঠানটি হরদমে প্রশাসনের নাকের ডগায় চালিয়ে যাচ্ছে তাদের কার্যক্রম।অথচ বরিশাল সিভিল সার্জনের পরিচালক ডাঃ মনোয়ার হোসেন নিশ্চিত করেছে, এই নামে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি অবৈধভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। যথাযথ অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। বিষয়টি অনুসন্ধানকালে দৈনিক সত্য সংবাদ কর্তৃপক্ষকে অনন্য মিডিয়াকর্মী দ্বারা ম্যানেজের চেষ্টা করলে এ পত্রিকাটি দীর্ঘ ১৮ বছর সত্যের পথে অনড় থাকা ও পাশাপাশি বস্তনিস্ঠ সংবাদ প্রকাশে সর্বদায়ই একধাপ এগিয়ে থাকায় তা আর সম্ভবপর হয়নি। এ বিষয়ে বরিশাল হেলথ এর পরিচালক বেলায়েত হোসেন জানান, সঠিক তথ্য পেলে অবশ্যই এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *